শুনেছি ভালোবাসার রাস্তায়
নাকি অনেক যন্ত্রনা!
তাই ভাবছি এই রাস্তায়
১টা ঔষেধের দোকান খুলব!!
A game is an activity or sport usually involving skill, knowledge, or chance, in which you follow fixed rules and try to win against an opponent or solve a puzzle.
ক্রিকেটে ‘মোমেন্টাম’ আজকাল খুবই সাধারণ এক শব্দ হয়ে গেছে। কোচ– ক্রিকেটাররা ম্যাচের অবস্থা বোঝাতে বেশির ভাগ সময়ই এই ইংরেজি শব্দটা ব্যবহার করেন। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে ১২ রানে এগিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নামা পাকিস্তানের দ্রুত ২ উইকেট তুলে নেওয়ার পর মোমেন্টাম চলে আসে বাংলাদেশের হাতের নাগালে। পরপর দুই ওভারে আবদুল্লাহ শফিক ও ‘নাইটওয়াচম্যান’ হিসেবে নামা খুররম শেহজাদকে ফিরিয়ে দেন হাসান মাহমুদ।
আজ সকালেও আগের দিনের ছন্দ ধরে রাখেন বাংলাদেশের পেসাররা। আগের দিন ২ উইকেট নেওয়া হাসান আজ আরও ৩ উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেট নিলেন। গতিময় বোলিংয়ে নাহিদ রানার শিকার ৪ উইকেট। অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ ১ উইকেট নিলে পাকিস্তান ১৭২ রানে অলআউট হলে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৮৫ রান।
চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আলোকস্বল্পতায় দিনের খেলা শেষ হওয়ার বাংলাদেশ কোনো উইকেট না হারিয়ে করেছে ৪২ রান। আগামীকাল পঞ্চম দিন জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ১৪৩ রান। বুঝতেই পারছেন, প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটের ঐতিহাসিক জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টেও জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলা বাংলাদেশ এখন পাকিস্তানকে ধবলধোলাইয়ের স্বপ্নে বিভোর।
বিভিন্ন দাবিতে সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরে তৈরি পোশাকশিল্পসহ অন্যান্য খাতের শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এই আন্দোলনে ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে আজ সোমবার রাত থেকে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও শিল্প পুলিশের যৌথ অভিযান শুরুর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।রাজধানীর সচিবালয়ে আজ বিকেলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর (অব.) সঙ্গে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক শেষে বিজিএমইএ সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে যৌথ অভিযান শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘শ্রমিক ও শ্রমিকনেতাদের কোনো ধরনের হয়রানি না করতে আমরা বিশেষভাবে অনুরোধ করেছি।’
বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল রাকিব বলেন, বর্তমান অস্থিরতার পেছনে একটি গোষ্ঠীর ইন্ধন রয়েছে। তাদের লোকজন লুঙ্গি পরে হেলমেট মাথায় দিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে মিশে অস্থিরতা তৈরি করছেন এবং কারখানা ভাঙচুর করছেন। ফলে যাঁরা শ্রমিকদের উসকে দিয়ে আন্দোলনে নামাচ্ছেন এবং শ্রমিক না হয়েও যাঁরা আন্দোলন করছেন ও কারখানা ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে আবারও বেড়ে গেছে কাপ্তাই হ্রদের পানি। এ কারণে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের বাঁধের ১৬টি জলকপাট সাড়ে তিন ফুট করে খুলে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে হ্রদের পানি কমানোর জন্য ১ সেপ্টেম্বর থেকে জলকপাটগুলো দুই ফুট করে খোলা থাকলেও পানি বাড়ছিল। ফলে আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বাঁধের ১৬টি জলকপাট সাড়ে তিন ফুট করে খুলে দেওয়া হয়। এতে প্রতি সেকেন্ডে ৬৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলীতে যাচ্ছে।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে আবারও বেড়ে গেছে কাপ্তাই হ্রদের পানি। এ কারণে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের বাঁধের ১৬টি জলকপাট সাড়ে তিন ফুট করে খুলে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে হ্রদের পানি কমানোর জন্য ১ সেপ্টেম্বর থেকে জলকপাটগুলো দুই ফুট করে খোলা থাকলেও পানি বাড়ছিল। ফলে আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বাঁধের ১৬টি জলকপাট সাড়ে তিন ফুট করে খুলে দেওয়া হয়। এতে প্রতি সেকেন্ডে ৬৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলীতে যাচ্ছে।কাপ্তাই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণকক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর আছে ১০৮ দশমিক ৭৪ এমএসএল। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এ টি এম আবদুজ্জাহের বলেন, পানি বাড়ায় সাড়ে তিন ফুট করে গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে বের হচ্ছে ৬৮ হাজার কিউসেক পানি। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রেখে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে পানি ছাড়া হচ্ছে ৩২ হাজার কিউসেক।
এদিকে হ্রদের পানির স্তর আবারও বেড়ে যাওয়ায় দুই সপ্তাহ ধরে দুর্ভোগে আছে হ্রদের নিম্নাঞ্চলের মানুষ। এতে প্রায় ১৬ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। হ্রদের পানি না কমায় জনদুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।
প্রসঙ্গত, কাপ্তাই হ্রদের পানি ধারণক্ষমতার সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি চলে আসায় ২৪ আগস্ট প্রথম দফায় জলকপাটগুলো ৬ ইঞ্চি খুলে দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।
রাজধানী ঢাকার জনপ্রিয় গণপরিবহন মেট্রোরেল সাপ্তাহিক বন্ধের দিন শুক্রবারও চলবে। তবে পুরো দিন নয়, বেলা তিনটা থেকে রাত পর্যন্ত চলবে। শুক্রবার মেট্রোরেল চলবে—এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। কিন্তু কোন শুক্রবার থেকে চালু হবে, এ বিষয় এখনো ঠিক করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
মেট্রোরেল সাপ্তাহিক বন্ধ হিসেবে শুক্রবার চলাচল করে না। তবে অন্য সরকারি ছুটির দিন মেট্রোরেল স্বাভাবিকভাবেই চলাচল করে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান শুক্রবারও মেট্রোরেল চালানোর বিষয়ে নির্দেশনা দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ আজ সোমবার থেকে প্রস্তুতি শুরু করেছে।